Tuesday, March 10, 2020

মেসির সতীর্থকে নিয়ে কাল এশিয়ায় অভিষেক বসুন্ধরার

মেসির সতীর্থকে নিয়ে কাল এশিয়ায় অভিষেক বসুন্ধরার

কাল এএফসি কাপে বসুন্ধরার অভিষেক হবে মেসির সতীর্থ হার্নান বার্কোসকে নিয়েই। ফাইল ছবিবিশ্ব জুড়ে এখন করোনাভাইরাস আতঙ্ক। এরই মধ্যে করোনাভাইরাসের কারণে স্থগিত হয়ে গেছে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের এশিয়া অঞ্চলের সব ম্যাচ। কিন্তু এএফসি কাপের খেলা এখনো বন্ধের কোনো নির্দেশনা আসেনি ফিফা থেকে। করোনা আতঙ্কের মধ্যেই আগামীকাল এএফসি কাপে অভিষেক হচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংসের। মালদ্বীপের টিসি স্পোর্টসের বিপক্ষে এ ম্যাচে বসুন্ধরার হয়ে খেলবেন লিওনেল মেসির সঙ্গে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে খেলা হার্নান বার্কোসের। সঙ্গে ২০১৮ বিশ্বকাপ খেলা কোস্টারিকার দানিয়েল কলিনদ্রেস তো থাকছেনই। যথেষ্ট শক্তিশালী দল নিয়ে এএফসি কাপের শুরুটা রাঙিয়ে দিতে চায় বসুন্ধরা। যদিও মালদ্বীপের দলটি কিন্তু মোটেও হেলাফেলা করার কিছু নয়। তাদেরও আছে পাকিস্তান, মিশর, ভিয়েতনামের ফুটবলার। সবচেয়ে বড় কথা টিসি স্পোর্টসের হয়ে খেলবেন এশিয়ার অন্যতম সেরা প্লে মেকার আলী আশফাক।
এএফসি কাপের এ ম্যাচে করোনার প্রভাব নেই। এ রোগ নিয়ে সাবধানতা থাকলেও আতঙ্কে ভুগছেন না কেউই। টিসি স্পোর্টসের কোচ মোহাম্মদ শাজলি যেমন বললেন, তাদের করোনা নিয়ে ভাবার সময়ই নেই, ‘এটি সম্পর্কে আমরা সবাই সচেতন। তবে এসব নিয়ে ভাবার সময় নেই। কালকের ম্যাচটি নিয়েই ভাবছি। পরের রাউন্ডে যেতে হলে ম্যাচটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

ACER ASPIRE 3 A314-31 P9V3 14 INCH HD PENTIUM QUAD CORE 4GB RAM 1TB HDD OBSIDIAN BLACK LAPTOP

ACER ASPIRE 3 A314-31 P9V3 14 INCH HD PENTIUM QUAD CORE 4GB RAM 1TB HDD OBSIDIAN BLACK LAPTOP

PRODUCT VIE
  • AVAILABILITY:In Stock
  • MODELAcer Aspire 3 A314-31 P9V3
  • PART NO:NX.GVYSI.004
WS: 28


Sunday, March 8, 2020

১০০ কোটি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ঝুঁকিতে

১০০ কোটি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ঝুঁকিতে হ্যাক হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে ১০০ কোটির বেশি অ্যান্ড্রয়েডচালিত যন্ত্র। কারণ, সেগুলো এখন আর নিরাপত্তা হালনাগাদে সুরক্ষিত নয় বলে জানিয়েছে হুইচ নামের ব্রিটিশ পর্যবেক্ষণ সংস্থা। এর প্রভাবে বিশ্বব্যাপী ব্যবহারকারীরা তথ্য চুরি, র‍্যানসমওয়্যারসহ অন্যান্য ম্যালওয়্যারে (ক্ষতিকর সফটওয়্যার) আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকবে। বিশেষ করে ২০১২ সাল কিংবা তার আগে বাজারে আসা যন্ত্রগুলো নিয়ে দুশ্চিন্তা বেশি। আর এ নিয়ে গুগলের বক্তব্যে সন্তুষ্ট নয় বলে উল্লেখ করেছে হুইচ। গুগলের নিজস্ব পরিসংখ্যান বলছে, বিশ্বব্যাপী ৪২ দশমিক ১ শতাংশ অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারী অ্যান্ড্রয়েড ৬.০ (মার্শমেলো) বা পূর্ববর্তী সংস্করণ ব্যবহার করে। আর অ্যান্ড্রয়েড নিরাপত্তা বুলেটিন অনুযায়ী, ২০১৯ সালে অ্যান্ড্রয়েড ৭.০-এর আগের সংস্করণগুলোর জন্য কোনো নিরাপত্তা হালনাগাদ ছাড়েনি। এই তথ্য দেখে হুইচ বলছে, প্রতি পাঁচ অ্যান্ড্রয়েডচালিত যন্ত্রের মধ্যে দুটি এখন আর নিরাপত্তা হালনাগাদ পাচ্ছে না। পাঁচটি স্মার্টফোনে পরীক্ষা চালিয়েছে তারা—মটোরোলা এক্স, স্যামসাং গ্যালাক্সি এ৫, সনি এক্সপেরিয়া জেড২, এলজি/গুগল নেক্সাস ৫ এবং স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬। এরপর অ্যান্টিভাইরাস নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এভি কমপ্যারাটিভসকে স্মার্টফোনগুলো ম্যালওয়্যারে আক্রান্ত করার অনুরোধ জানায়। দুর্ভাগ্যজনক ব্যাপার, সব কটিই তারা আক্রান্ত করতে সক্ষম হয়। কয়েকটিতে তো কয়েকবার করে সংক্রমণ করে দেখিয়েছে তারা। পরীক্ষার ফল গুগলের কাছে পাঠিয়েছে হুইচ। তবে যে ব্যবহারকারীরা নিরাপত্তা হালনাগাদের বাইরে রয়ে গেছেন, তাঁদের নিরাপত্তার ব্যাপারে করণীয় সম্পর্কে গুগল পরিষ্কার করে কিছু জানাতে পারেনি। গুগল ও অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিরাপত্তা হালনাগাদ বিষয়ে আরও বেশি স্বচ্ছতার আহ্বান জানিয়েছে হুইচ। সূত্র: বিবিসি

মোদির আসা নিয়ে অরাজকতা হলে কঠোর ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মোদির আসা নিয়ে অরাজকতা হলে কঠোর ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠান উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফর নিয়ে কোনো গোষ্ঠী অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আজ রোববার দুপুরে নওগাঁর ধামইরহাটে মাদক কারবারিদের আত্মসমর্পণ ও নতুন থানা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ভারত আমাদের মুক্তিযুদ্ধের অকৃত্রিম বন্ধুদেশ। সেই দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি ছাড়াও আমাদের অন্য বন্ধুদেশের সরকারপ্রধানেরাও উপস্থিত থাকবেন। বিদেশি অতিথিদের উপস্থিতিতে দেশের কোনো গোষ্ঠী যদি অহেতুক ঝামেলা সৃষ্টি করতে চায়, তাদের রুখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রস্তুত আছে।’ নওগাঁর ৫৬ জন চিহ্নিত মাদক কারবারির আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে আসাদুজ্জামান খান বলেন, প্রধানমন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। মাদককে রুখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করে যাচ্ছে। সরকারের সচেতনতা কর্মসূচির ফলে মাদক ব্যবসায়ীরা, চোরাকারবারিরা আজকে অন্ধকার পথ ছেড়ে আলোর পথে ফিরে আসছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে ৮৮ হাজারের ওপর কারাবন্দী আছেন। তাঁদের মধ্যে ৩০ শতাংশ মাদক ব্যবসায়ী কিংবা মাদকসেবী। এতেই বোঝা যায় বর্তমানে দেশে মাদকের ছোবল কতটা। মাদকের এই ভয়াবহতা রুখতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। মাদকের সরবরাহ বন্ধ করতে দেশের সীমান্ত এলাকায় সীমান্তরক্ষী বাহিনী কাজ করে যাচ্ছে। দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে মাদককে রুখতেই হবে। এই কাজে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সমাজের সব মহলের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। আত্মসমর্পণকারী মাদক কারবারিদের স্বাগত জানিয়ে আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘যারা আজকে অন্ধকার জগৎ ছেড়ে আলোর পথে এলেন, তাঁদের স্বাগত জানাই। শুধু আত্মসমর্পণের জন্য আত্মসমর্পণ যেন না হয়; ভবিষ্যতে এই প্রতিজ্ঞা ধরে রাখবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।’ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খাদ্যমন্ত্রী ও নওগাঁ-১ আসনের সাংসদ সাধন চন্দ্র মজুমদার, নওগাঁ-২ আসনের সাংসদ শহীদুজ্জামান সরকার, নওগাঁ-৬ আসনের সাংসদ ইসরাফিল আলম, নওগাঁ-৩ আসনের সাংসদ ছলিম উদ্দিন তরফদার, নওগাঁ-৫ আসনের সাংসদ নিজাম উদ্দিন জলিল, নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল মালেক, পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি এ কে এম হাফিজ আক্তার, জেলা প্রশাসক হারুন-অর-রশীদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান মিয়া।

নতুন রোনালদো পেয়ে গেছে রিয়াল

নতুন রোনালদো পেয়ে গেছে রিয়াল নতুন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে পেয়ে গেছে রিয়াল মাদ্রিদ, এমনটাই মনে করছেন রিয়ালের সাবেক তারকা ভিক্টর সানচেজ দেল আমো ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো যাওয়ার পর তাঁর অভাবটা রিয়াল কি মেটাতে পেরেছে? এক দল বলে পেরেছে। আরেক দলের মতে পারেনি। আবার অনেকের মতে রোনালদো যাওয়ার পর রিয়াল দল হিসেবে আরেকটু সংঘবদ্ধ হয়েছে। আগে যেমন রোনালদোর ওপর ভরসা করে থাকত তারা, এখন সে প্রবণতাটা একটু হলেও কম। বেনজেমা, ক্রুস, ইসকো, ভিনিসিয়ুস, মদরিচ—সবাই এখন নিজেদের কাঁধে দায়িত্ব বাড়িয়ে নিয়েছেন আরেকটু। তারপর এই মৌসুমে এসেছেন এডেন হ্যাজার্ড। এখন চোটের কারণে মাঠের বাইরে থাকলেও চোট কাটিয়ে ফিরলে ও নিজের প্রতিভার প্রতি সুবিচার করতে পারলে হ্যাজার্ড যে রিয়ালের অন্যতম এক রত্নে পরিণত হতে পারবেন, এ নিয়ে সন্দেহ সামান্যই। তবে রিয়ালের সাবেক তারকা মিডফিল্ডার ভিক্টর সানচেজ দেল আমোর মতে রিয়াল মাদ্রিদ এর মধ্যেই ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর বিকল্প খুঁজে পেয়েছে। তিনি আর কেউ নন, গত মৌসুমে ব্রাজিলের ক্লাব সান্তোস থেকে দলে আসা তরুণ উইঙ্গার ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। আর এই দাবির সপক্ষে প্রমাণও দিয়েছেন তিনি, ‘দেখুন, ভিনিসিয়ুসের পরিসংখ্যান বলে, প্রথম দুই মৌসুমে সে আটটি গোল করেছে। এবার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পরিসংখ্যানের দিকে তাকান। প্রথম দুই মৌসুমে রোনালদো গোল করেছিল এগারোটি। এর মাধ্যমে একটা ধারণা পাই যে ভিনিসিয়ুসের ভবিষ্যৎ কেমন হতে যাচ্ছে। ভিনিসিয়ুসের বয়সে ক্রিস্টিয়ানোও একই ধরনের খেলোয়াড় ছিল—একজন উইঙ্গার, যে কিনা প্রতিপক্ষকে ড্রিবলের মাধ্যমে পরাস্ত করে গোল করতে পারবে নিয়মিত।’ তবে উচ্চাশা ও অধ্যবসায়ের আকাঙ্ক্ষা না থাকলে ভিনিসিয়ুস যে রোনালদোর মতো হতে পারবে না সে ব্যাপারেও ব্রাজিল তারকাকে সতর্ক করে দিয়েছেন সানচেজ, ‘এখন দেখার বিষয় হলো পথে আসা হাজারো প্রতিকূলতাকে হারিয়ে জয়ের পথে যাত্রা করার উচ্চাশাটা ভিনিসিয়ুসের মধ্যে কতটুকু আছে। রোনালদো তাঁর উচ্চাশা ও অধ্যবসায় নিয়ে এর আগেও অনেক প্রমাণ দিয়েছে। এখন ভিনিসিয়ুসের প্রমাণ করার পালা। রোনালদো ও ক্যারিয়ারে আসা হাজারো প্রতিকূলতাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে আজকের অবস্থানে এসেছে। তবে ভিনিসিয়ুসের একটা সুবিধা হলো ও এমন একটা ক্লাবে আছে, যে ক্লাবের সবাই চূড়ান্ত পেশাদার ও বিশ্বসেরা। ফলে নিজের প্রতিভাকে বিকাশ করার সুযোগ সে এখানে যথেষ্ট পাবে।’ ১৯৮৭ সালে রিয়ালের অ্যাকাডেমিতে যোগ দিয়েছিলেন স্প্যানিশ মিডফিল্ডার সানচেজ। মূল দলে সুযোগ পান ১৯৯৪ সালে। সতীর্থ হিসেবে পেয়েছিলেন মানুয়েল সানচিস, ফার্নান্দো হিয়েরো, রাউল গঞ্জালেস, রবার্তো কার্লোস, ডেভর সুকার, ক্লারেন্স সিডর্ফ, গুতির মতো তারকাদের। দুই বছর পর রিয়াল ছেড়ে যোগ দেন রেসিং সান্তান্দারে। ২০০০ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত স্পেনের হয়ে আটটি ম্যাচ খেলেছেন এই তারকা। কিছুদিন আগেই বার্সেলোনার বিপক্ষে গোল করে দলকে জিতিয়েছেন ভিনিসিয়ুস। তাঁকে ঘিরে এখন একটু মাতামাতি তো হবেই!

‘বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার নিয়ে পাড়ি দিচ্ছি’

‘বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার নিয়ে পাড়ি দিচ্ছি’ ২০১১ সাল থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফার্স্ট অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আনীতা রহমান। বসেছেন ড্যাশ-৮, বোয়িং ৭৩৭-এর চালকের আসনে। বললেন, ‘দুই বছর ধরে সর্বাধুনিক বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার নিয়ে পাড়ি দিচ্ছি ইউরোপ-এশিয়ার বিভিন্ন গন্তব্যে।’ আনীতা বললেন,‘আমার বাবা ছিলেন বিমানের ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ার। দেশের বাইরে বেড়াতে গেলে উড়োজাহাজের ককপিটে যেতাম। এভাবেই পাইলট হওয়ার আগ্রহ জাগে। আজ আমি ফার্স্ট অফিসার।’ বিমানের ২০ জন নারী পাইলটের মধ্যে আনীতা একজন। পাইলটের লাইসেন্স পেয়েছেন ২০০৬ সালে। বিমান বহরে রয়েছে আধুনিক সব উড়োজাহাজ। আর তিনটি উড়োজাহাজ আসবে জুন মাসের মধ্যে। রুটের সংখ্যা বাড়ছে। পাইলটদের ব্যস্ত শিডিউল। প্রায় প্রতিদিনই ফ্লাইট। বিশ্রামের সময় কম। সংসারে খেয়াল রাখার সময় কমই মিলছে আনীতা রহমানের। তবে স্বামী রাফায়াত রাস্তির সহযোগিতা পাচ্ছেন বলে সংসার সামলাতে খুব একটা বেগ পেতে হচ্ছে না। শাশুড়ি দিলারা কাদেরতো আছেনই। আলাপচারিতায় আনীতা বললেন,‘ বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে প্রায় ৮ কোটি নারী। এর মধ্যে মাত্র ২০ জন আছেন রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমানের নারী পাইলট। ১৬ কোটি মানুষের এই দেশের প্রায় ৮ কোটি নারীর প্রতিনিধিত্ব করছি। এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।’ আনীতা বললেন, ‘বাবাকে দেখে আগ্রহ জাগে। আর আমি পাইলট হয়েছি আমার বড় ভাইয়ের উৎসাহে। বড় ভাইয়ের ইচ্ছে ছিল পাইলট হওয়ার, হয়েছেন প্রকৌশলী। কিন্তু এয়ারক্রাফটের খুঁটিনাটি আমার ভাই আমাকে জানাতেন। এখনো যুক্তরাষ্ট্র থেকে এয়ারক্রাফট সম্পর্কে নতুন নতুন তথ্য আমাকে জানান। আর ফ্লাইটে যাওয়ার পর আমার স্বামী আবহাওয়ার পূর্বাভাসসহ যা কিছু আছে, জানাতে থাকেন। ফ্লাইটে থাকার সময় সংসার নিয়ে নির্ভার থাকি আমার শাশুড়ির কারণে।’ আলাপচারিতার এই সময় ট্রলিতে করে হরেক রকমের খাবার সাজিয়ে নিয়ে এলেন আনীতার স্বামী রাফায়াত। তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী। আনীতা বললেন, ‘নারী ঘরে বসে থাকবে না, এ শিক্ষা পেয়েছি আমার মা শিরীন আক্তারের কাছ থেকে। তিনি হবীবুল্লাহ বাহার কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের চেয়ারম্যান ছিলেন। আমার শাশুড়ি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন। শাশুড়ি কিছুদিন আগে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন, ফ্লাইটে ওঠার আগে সেই খবর পেয়েছি। কিন্তু তখন কিছুই করার ছিল না। আজ আমার জ্বর, “মানি” (শাশুড়ি) আমার সব বিষয় খেয়াল রাখছেন। আর এসব কারণেই পেশাগত যে চ্যালেঞ্জ আছে, তা খুব বেশি চ্যালেঞ্জ মনে হয় না।’ শাশুড়ি দিলারা কাদের বললেন, ‘২০১৫ সালে আনীতার বিয়ে হয়। ও আমার ছেলের বউ নয়, আমার মেয়ে। ফ্লাইটের কারণে প্রায়ই ওর দেশের বাইরে থাকতে হয়। অনেকে এসে বাড়িতে ছেলের বউকে দেখতে না পেয়ে কিছু কথা বলার চেষ্টা করে। কিন্তু আমি জানি, পিয়ান (আনীতার ডাক নাম) সংসারের প্রতি কতটা খেয়াল রাখে। ওর শ্বশুর অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল মো. কাদেরুজ্জামান বা আমার অথবা বাসার গৃহকর্মী কার কী প্রয়োজন, সব দিকে ওর লক্ষ।’

করোনা মোকাবিলার সক্ষমতা আছে, উদ্বেগের কিছু নেই: প্রধানমন্ত্রী

করোনা মোকাবিলার সক্ষমতা আছে, উদ্বেগের কিছু নেই: প্রধানমন্ত্রী করোনাভাইরাস মোকাবিলায় বাংলাদেশের পর্যাপ্ত সক্ষমতা রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এটি নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। আজ রোববার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের এক অনুষ্ঠান উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘ইনশা আল্লাহ, আমাদের পর্যাপ্ত সক্ষমতা রয়েছে (করোনাভাইরাস মোকাবিলায়) এবং আমরা যথাযথ ব্যবস্থা করব। এখানে উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো কিছু নেই।’ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার ২৪ ঘণ্টা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। যেকোনো জায়গায় সমস্যা দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তবে সবাইকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। শেখ হাসিনা বলেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রতিদিন করোনাভাইরাসসংক্রান্ত নির্দেশনা দিচ্ছে। আমি অনুরোধ করব সকলকে সেই নির্দেশনাবলি মেনে চলার।’ করোনাভাইরাস সম্পর্কে সবার মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন দেশ অর্থনৈতিক সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। গত ডিসেম্বরের শেষের দিকে চীনের উহানে প্রথম এই ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছিল। গতকাল শনিবার পর্যন্ত ১০২টি দেশ ও অঞ্চলে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়েছে। এতে আক্রান্ত হয়েছেন লক্ষাধিক মানুষ। মারা গেছেন প্রায় সাড়ে তিন হাজার মানুষ। আড়াই মাসের কম সময়ের মধ্যে বিশ্বের অর্ধেক দেশে সংক্রমণ শনাক্ত হলেও বাংলাদেশ এ তালিকার বাইরে আছে। সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) জানিয়েছে, দেশে ১১১ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এখনো কেউ শনাক্ত হননি। ৪৮ জন ব্যক্তি বিভিন্ন হাসপাতালে ‘আইসোলেশন’ ও ‘কোয়ারেন্টাইনে’ আছেন। তাঁদের কেউ কেউ আক্রান্ত দেশ থেকে এসেছেন।

১০০ কোটি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ঝুঁকিতে

১০০ কোটি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ঝুঁকিতে হ্যাক হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে ১০০ কোটির বেশি অ্যান্ড্রয়েডচালিত যন্ত্র। কারণ, সেগুলো এখন আর নিরাপত্তা ...